ঢাকা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭:৩৫, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৩৬, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
গণভোটে ’হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা প্রশ্ন তৈরি করছে?
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দিতে জোরেশোরে প্রচারণা চালাতে শুরু করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের সাথে গণভোটের ভোটগ্রহণও করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের পেইজে গণভোটের 'হ্যাঁ'- তে সিল দিন এ রকম একটি ফটোকার্ড শেয়ার করার পাশাপাশি ভিডিও চিত্রেও জনগণকে হ্যাঁ ভোট দিতে আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই ভিডিওচিত্রে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকারী, নিহতদের পরিবারের সদস্য, গুম কমিশনের সদস্যের বরাতে 'হ্যাঁ' ভোট কেন দিতে হবে সেটির ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।
একইসাথে 'হ্যাঁ' ভোট দিলে কী পাওয়া যাবে সেটির বিস্তারিত উল্লেখ করে, 'না' ভোট দিলে কিছুই পাওয়া যাবে না এমন প্রচারণাও চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এমনকি ব্যাংক কর্মকর্তা, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের গণভোটে 'হ্যা' ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নিরপেক্ষভাবে একটি নির্বাচন আয়োজন করা, সেখানে গণভোটে একটি পক্ষে প্রচারণা চালানোয় কি সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে?
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার একটি নির্দিষ্ট পক্ষ বা অবস্থান নিলেও নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র গণভোটের বিষয়বস্তু এবং কিভাবে ' হ্যাঁ ', ' না ' ভোট দেওয়া যাবে সেই নির্দেশনা দিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে।
কিন্তু নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ডিসি, ইউএনও যারা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকবেন, তারা এই প্রচারণা করলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।