দিল্লি ডেস্ক
প্রকাশ: ২২:১৬, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
অপারেশন সিন্দুরে পাকিস্তানে বার্তা পৌঁছাতে বিমান শক্তিই ছিল কার্য
ভারতীয় বিমানবাহিনী (আইএএফ) প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং বলেছেন, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে স্পষ্ট ও কার্যকর সংকেত পাঠানোর ক্ষেত্রে বিমান শক্তিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি বলেন, “এটিই কাজ করেছে।”
বুধবার দিল্লিতে সেন্টার ফর অ্যারোস্পেস পাওয়ার অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (CAPSS) আয়োজিত ২২তম সুব্রত মুখার্জি সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি আধুনিক যুদ্ধে, বিশেষ করে অপারেশন সিন্দুরে বিমান বাহিনীর কার্যকারিতা তুলে ধরেন। এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই (ANI)।
এয়ার চিফ মার্শাল সিং বলেন, ২০২৫ সালের মে মাসে পহেলগামের সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরিচালিত অপারেশন সিন্দুরে বিমান শক্তিই ছিল সেই সামরিক উপাদান, যা দ্রুত ও কার্যকর ফল দিয়েছে।
তিনি বলেন, সামরিক শক্তির যে অংশটি কাজে লেগেছে, অথবা যা প্রয়োজনীয় সক্ষমতা সরবরাহ করেছে, তা হলো বিমান শক্তি। আমরা যদি সত্যিকার অর্থে একটি বিবেচনাযোগ্য শক্তি হতে চাই, তবে এই অংশটির ওপর মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।”
আইএএফ প্রধানের মতে, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনা, সন্ত্রাসী অবকাঠামো ও জড়িতদের ওপর আঘাত হানা কিংবা পাকিস্তানের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা—সব ক্ষেত্রেই বিমান বাহিনীই কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।
তিনি দাবি করেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিমান বাহিনী পাকিস্তানকে একটি শক্ত বার্তা পাঠাতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের নতজানু করেছে। এই কাজটি বিমান বাহিনীই করেছে—এটি মনে রাখা দরকার।”
এর আগে দিল্লিতে ৯৩তম বিমান বাহিনী দিবস উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এপি সিং জানান, অপারেশন সিন্দুর চলাকালে দূরপাল্লার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (LRSAM) S-400 ট্রায়াম্ফ ‘সুদর্শন চক্র’ সিস্টেম ব্যবহার করে পাঁচটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা সম্প্রতি যে দূরপাল্লার SAM ব্যবস্থা সংগ্রহ ও কার্যকর করেছি, তা দিয়ে প্রতিপক্ষের অঞ্চলের গভীরে নজরদারি সম্ভব। এর ফলে তারা নিজেদের ভূখণ্ডের মধ্যেও নির্দিষ্ট দূরত্বে কার্যক্রম চালাতে অক্ষম হয়ে পড়ে।”