প্রকাশ: ২৩:১৮, ৮ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যখন রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর প্ল্যাটফর্ম
মাঠের খেলায় তেমন একটা সাফল্য না থাকলেও গত দুই যুগের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটই ছিল জাতিগত, ধর্মীয় আর দলীয় পরিচয় ভুলে বাংলাদেশি হিসেবে সবার একসাথে উদযাপনের অন্যতম উপলক্ষ্য।
সেই ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ চার বার পরিবর্তন হয়েছে গত দুই বছরের কম সময়ে – প্রতিবারই এই পরিবর্তনের পেছনে রাজনীতি ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর বিভিন্ন পক্ষের রাজনৈতিক প্রভাব সবসময়ই ছিল। কিন্তু গত দুই বছরে রাজনৈতিক প্রভাবে ক্রিকেট বোর্ডে অস্থিরতা দেখা গেছে।
২০২৪ সালের অগাস্টে বাংলাদেশের ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর নাজমুল হাসান পাপনের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া দিয়ে শুরু।
এরপর সভাপতির আসনে বসা ফারুক আহমেদকে নিয়ে নয় মাসের মাথায় অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বোর্ডের পরিচালকরা আর অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। ফলস্বরুপ তড়িঘড়ি করে ফারুক আহমেদকে অপসারণ করা হয় এবং তার জায়গায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি করে।
আমিনুল ইসলাম বুলবুল মাস তিনেকের বেশি সময় অনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট থেকে ২০২৫ এর অক্টোবরে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হন, যেই নির্বাচনে রাজনৈতিক 'হস্তক্ষেপ' থাকার অভিযোগ 'প্রমাণিত' হওয়ার কথা উল্লেখ করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের তদন্ত কমিটি ঐ নি
ক্রিকেট বোর্ডে রাজনীতির প্রভাব
অক্টোবরের বিসিবি নির্বাচন আর সম্প্রতি ঘোষণা করা অ্যাডহক কমিটি গঠনের পেছনে যে পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক পক্ষের প্রভাব ছিল, তা অনেকটাই স্পষ্ট বলে বিশ্লেষকেরা বলছেন।
অক্টোবরের ঐ নির্বাচন ঘিরে অনেকটা প্রকাশ্যেই দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন বিএনপির নেতা ইশরাক হোসেন আর তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা এনসিপির আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ। নির্বাচনের কিছুদিন আগে প্রেস কনফারেন্স করে 'অনিয়মের' এবং তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের 'হস্তক্ষেপের' অভিযোগ তোলেন তামিম ইকবাল, যেখানে তার সাথে ইশরাক হোসেন সহ বিএনপি সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজন ছিলেন।
র্বাচিত কমিটি ভেঙে দিয়েছে এবং তামিম ইকবালকে প্রধান করে নতুন অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করেছে।