ওয়াশিংটন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২:১৫, ১১ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েল থেকে স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল স্পেন

ইসরায়েল থেকে স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল স্পেন

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সামরিক হামলার বিরোধিতা নিয়ে স্পেন ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হয়েছে। এই উত্তেজনার জেরে ইসরায়েল থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূত স্থায়ীভাবে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্পেন।

বুধবার (১১ মার্চ) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক বিরোধের ধারাবাহিকতায় স্পেন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত স্পেনের সরকারি গেজেটে ইসরায়েলে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের পদ বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন থেকে তেল আবিবে অবস্থিত স্পেনের দূতাবাস একজন ‘চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স’ বা অন্তর্বর্তীকালীন কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই স্পেন ও ইসরায়েলের সম্পর্ক দ্রুত অবনতির দিকে যেতে থাকে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে গাজায় ব্যবহারের জন্য ইসরায়েলি অস্ত্র বহনকারী কোনো বিমান বা জাহাজকে স্পেনের আকাশসীমা ও বন্দর ব্যবহার করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মাদ্রিদ। এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার একে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দেন।

এর আগে, গত মে মাসে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিলে প্রতিবাদ হিসেবে ইসরায়েলও স্পেন থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে বর্তমানে উভয় দেশেই দূতাবাসগুলো অন্তর্বর্তীকালীন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার যুদ্ধের বিরোধিতা করায় স্পেনকে ‘স্বৈরশাসকদের সহযোগী’ বলে অভিযোগ করেন।